২০ বছর বয়সী ওমর আল-সাওয়িকে তার ৪০ বছর বয়সী বাবা মোহাম্মদের জন্য একটি দাফনের জায়গা খুঁজে বের করতে হবে।
শিরোনাম
কবর দেওয়ার
সুদানের উত্তর দারফুর রাজ্যের রাজধানী এল-ফাশের শহরে ভয়াবহ সহিংসতার পর রাস্তায় পড়ে আছে শত শত লাশ। কবর দেওয়ার মতো কেউ নেই।
সিরিয়ায় আসাদ বিরোধী আন্দোলনে মৃত্যু হওয়া হাজার হাজার মানুষকে গণকবর দেওয়ার প্রমাণ মিলেছে।
চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতালে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ডেলিভারি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি নবজাতকটি ছিল মৃত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী ৯টার দিকে একটি কার্টনে করে বাড়িতে নেওয়া হয় নবজাতকের ‘মরদেহ’। নেওয়া হচ্ছিল কবর দেওয়ার প্রস্তুতি। এমন সময় কার্টন খুলতেই কান্না শুরু করে নবজাতক। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় নবজাতককে। ‘মারা যাওয়া’ সেই নবজাতক এখনও বেঁচে আছে!